সিঙ্গুরের কৃষকদের একাংশের দাবি শুধু জমি ফেরত দিলেই হবে না, জমিকে চাষযোগ্য করে ফেরত দিতে হবে। সিঙ্গুরেই একদিন একটু একটু করে গড়ে উঠেছিল কারখানার দেওয়াল, ছাদ। সিঙ্গুরের মাটিতেই একদিন শিল্পের স্বপ্ন ডানা মেলে ছিল।
সেইসব এখন অতীতের পাতায়।
শিল্প উৎখাতের সক্ষম হওয়ার পরও জমি ফেরত পায়নি আন্দোলনকারী সিঙ্গুর বাসিরা। সেই নিয়ে গতকালই রাজ্য সরকারের অবস্থান জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভারতীয় শান্তি দল নামে একটি সংগঠন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন সিঙ্গুরে চাষিদের জমি ফেরত পাওয়ার জন্য। আবেদনকারীদের দাবি, শুধু জমে ফেরত দিলেই হবে না, জমিকে চাষযোগ্য করে ফেরত দিতে হবে। এর আগেও সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল সিঙ্গুরের চাষীদের জমি ফেরত দেওয়ার জন্য। এছাড়াও আবেদনকারীরা আর জানিয়েছেন যে রাজ্যের কাছে বহুবার আবেদন জানিয়েও কাজ হয়নি। আদালতের নির্দেশেও জমি দাতারা জমি ফেরত পাননি। না হয়েছে সেখানে শিল্প আর, না হয় এখন সেখানে চাষাবাদ, তাহলে কবে ফিরে পাবে সিঙ্গুর বাসীরা চাষযোগ্য জমি- এই নিয়ে উঠছে বহু প্রশ্ন।
সিঙ্গুরের কৃষক মহাদেব দাস বলেছেন, “জমি চাষের উপযুক্ত নয়। জমির মাপও নেই কিছু। বলেছিল চাষযোগ্য় করার সবরকম প্রয়াস হবে। ৫ বছরে যা সমসয়ার সমাধান করে দেওয়া হবে। কোনও সমাধান তো হয়নি। স্ট্রাকচারই সরানো হয়নি এখনও। ৬ থেকে ৭০০ একর জমি চাষের অযোগ্য় হয়ে রয়েছে। আমি তৃণমূল করি, বারবার জানিয়েছি। আজও হয়নি। ২ হাজার টাকা, ১৬ কিলো করে চাল দিয়ে চাষিদের মুখ বন্ধ করা হয়েছে। দিদিমণি আন্দোলনের সময় আমাদের গুরুত্ব দিয়েছিলেন। এখন আর দেয় না।’’ আরেক কৃষক শক্তিপদ মুখোপাধ্য়ায় বলেন, “কোর্ট ঠিক বলেছে। এই জমি গুলো তো বিশাল আকারে পরে। এতে কাজ হয় না। রাজ্য সরকারের উচিত তাড়াতাড়ি ঠিক করে দিতে। চাষীরা কাজ করতে পারে। বেনা বন, সাপ খোপের আড্ডা হয়েছে। পাথর, মোড়াম পরে। সেখানে কী করে চাষ হবে। সরকারকে অনেক বলেছি। কোথায় সরকার। কোনও পাত্তাই নেই। সরকার ডাহা মিথ্য়ে বলেছে। ’’







