একে অপরকে কটাক্ষ, বাকযুদ্ধ অব্যাহত। এর মধ্যে বেলাগাম আক্রমণে একধাপ এগিয়ে আছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ, তা বলাই যায়। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর প্রায় প্রতিদিনই প্রচারে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একের পর এক বেফাঁস ‘স্টেটমেন্ট’ প্রয়োগ করেছেন। এবারেও তার ব্যাতিক্রম হল না৷
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিন বর্ধমান-দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে ‘গো-ব্যাক’ ধ্বনি তুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন মহিলারা। বিজেপি-তৃণমূল কর্মীদের ধস্তাধস্তিতে উত্তেজনা ছড়ায় দুর্গাপুরে। সকালে দুর্গাপুরের ফুলঝোড় মোড়ে ‘চায়ে পে চর্চা’ কর্মসূচিতে যোগদান করেন বিজেপি সাংসদ। সেখানেই ঘটে এই ঘটনা।
এদিন দুর্গাপুরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের এমএএমসির বি১ মোড়ের একটি মাঠে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ভূপতিনগরের বিষয়ে সরব হন দিলীপ। তাঁর উবাচ, ‘যারা রাষ্ট্রদ্রোহী, যারা বোম-বন্দুকের কারখানা বানাচ্ছে, যাদের সঙ্গে বিদেশের হাত আছে, তাদের সবার ঘরে ঘরে যাবে এনআইএ। যখন খুশি যাবে। এখানে পুলওয়ামা, বালাকোটের থেকেও বড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হতে পারে।’
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে তৎপরতায় এনআইএ। সোমবার তিনজন তৃণমূল নেতাকে নিউটাউনের অফিসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এমনটাই সূত্রের খবর।







