বাবা মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয়,অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা কলেজ ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের জামালপুরের সরষেবাড়ী এলাকায়।
শনিবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের লোকনাথপুর এলাকায় বর্ষা আক্তার (১৭) নামে ওই কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বর্ষা আক্তার উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের লোকনাথপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. রঞ্জু মিয়ার মেয়ে। সে ধনবাড়ি উপজেলার মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফোনে প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার ছেলের সঙ্গে প্রায় সময় কথা বলতো বর্ষা আক্তার। কথা বলতে নিষেধ করলে এ নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। শুক্রবার রাতে ফের মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে মেয়েকে বকাবকি করে বাবা রঞ্জু মিয়া।
সূত্রের খবর, শনিবার সকালে মেয়েকে মারধর করে মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয় বাবা। এই ঘটনায় মেয়েটি পাশের জঙ্গলে গাছের সাথে গলায় ফাঁসদিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ওসি মুশফিকুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে মোবাইল ফোন নিয়ে ঝগড়া বাঁধে বাবা-মেয়ের মধ্যে। এ ঘটনায় জের ধরে বাড়ির পাশে আম গাছের সঙ্গে ঝুলে বর্ষা আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।






