ইতিমধ্যে লোকসভার ভোটের দামামা বেজে গেছে। ১৯ শে এপ্রিল থেকে রাজ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন। জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচারকাজ। এর মধ্যে ১৭৭ কোম্পানি বাহিনী এসেপৌঁছেছে। এবার আরও ১০০ কোম্পানি মতায়নের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের । কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্যের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।
ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে যাতে হয় তার আগেভাগেই আধাসেনা বাহিনী মতায়ন করা হয়েছে ।
রাজ্যে সাত দফায় নির্বাচন, চলবে দেড় মাস ধরে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মতায়ন শুরু একমাস আগে থেকে। আর এই আধাসেনা আস্তানা হয়েছে রাজ্যের স্কুল-কলেজের। এখন থেকেই ছুটি পরে গিয়েছে স্কুল গুলতে। লাটে উঠছে পড়াশোনা।
সাধারণ মানুষ বলছে, এটা ভোট নাকি জেলখানা এই ভাবে বাহিনী মিতায়ন করে ভোট করাতে হবে।
খুব স্বাভাবিকভাবেই বাংলায় এত বেশি সংখ্যায় বাহিনী মোতায়েন করার কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। রাজ্যের শাসকদল বলছে আসলে নির্বাচন কমিশন বিজেপির কথামতো কাজ করছে। সেই কারণেই বাংলার উপর এত তীব্র আক্রোশ নেমে আসছে।আগামী ১৯ এপ্রিল, শুক্রবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট ৩ কেন্দ্রে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে প্রথম দফায় বুথের সংখ্যা ৫৮১৪। কমিশন সূত্রে খবর, প্রতিটি বুথে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হয়, সেক্ষেত্রে বিধানসভা পিছু কমপক্ষে ১৫ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। সেই হিসেবে তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য লাগবে মোট ৩১৫ কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব বুথে যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না রাখা যায় সে ক্ষেত্রে সশস্ত্র পুলিশ থাকবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।







