এবার শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সৌমিত্র খাঁর। বিজেপি প্রার্থী অভিযোগের সুরে বলেন,”চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়।অভিষেকই তাঁর ভাই আকাশের কাছে পাঠিয়েছিলেন” এখানেই সমাপ্তি নয় মানহানির মামলা করতে বিষ্ণপুর আদালতে অভিষেক এলে তাঁর পোশাক পর্যন্ত খুলে নেওয়ার হুমকি দেন বিজেপি নেতা।
শিক্ষক নিয়োগ দূর্নীতি নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ঠিক তখনই প্রকাশ্যে উঠে এলো বিষ্ণুপুরের বিদায়ী সাংসদ সৌমিত্র খাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য। বুধবার বাঁকুড়ার রতনপুরে প্রচারযাত্রাই তিনি বলেন তৃণমুলের থাকাকালীন কিছু ছেলের চাকরির অনুরোধ করায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। আকাশের কাছে যাওয়ায় চাকরিপ্রার্থীর মাথা পিছু ৮ লক্ষ টাকার দাবি করেন তিনি।সৌমিত্রর কথায়, “২০১৭ সাল। আমি ওনার ছোট ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললাম অভিষেকদা বলল চাকরি করে দেবেন। তো কী করতে পারবেন? আমায় বললেন, দাদা তোমার কাছ থেকে বেশি নেব না। এক কাজ করো আট লক্ষ টাকা আর দু’লক্ষ টাকা তোমার জন্য। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে ১০০টা ক্যান্ডিডেট এনে দিতে পারো।”
এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর দাবি করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা করেছে। তিনি যদি বিষ্ণুপুর আদালতে হাজিরা দিতে আসতেন আমি তাঁর প্যান্ট জামা খুলে নিতাম।”অপরদিকে ঘাসফুলের দাবি শুধুমাত্র খবরের শিরোনামে থাকার কারণেই এই বিবৃতিকর মন্তব্য করছেন তিনি।সৌমিত্র খাঁর হিম্মৎ নেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার।
বড়জোড়ার তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওর হিম্মত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার? ও তো তিনটে-চারটে লোক আর পয়সার থলি নিয়ে ঘুরছে। আর এই ভোটে পাবলিক ওকে যোগ্য জবাব দেবে।” অপরদিকে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “যখন এই নিয়োগ হয়েছিল তখন সৌমিত্র ছিলেন তৃণমূলে। সেই সময় এইসব কথা বলেছিলেন। আট বছর আগে ২৫ হাজার চাকরি হয়েছিল। তাঁদের চাকরি খাওয়ার জন্য সিপিএম আর বিজেপি উঠে পড়ে লেগেছে। হাইকোর্টের সাহায্যে ২৫ হাজার বাঙালির চাকরি খেয়েছে। তাই নিয়ে আনন্দ করছে। বাঙালি এর জবাব দেবে।”







