পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজের (Mohammad Hafeez ) বাড়িতে বড় সড় চুরি হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা লুঠ হয়েছে বলেই খবর। যে সময়ে চুরি হয়েছে, তখন হাফিজ ও তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। বুধবার হাফিজের খুড়ো শ্বশুর পুলিশে এফআইআর করেছে। পুলিশ চদন্ত শুরু করেছে।
পাকিস্তান সুপার লিগে কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের হয়ে হাফিজ খেলছেন। সেই কারণে নিজের বাড়ি ছেড়ে হাফিজ ইসলামাবাদে রয়েছেন। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নেয় চোর। হাফিজের বাড়িতে ঢুকে ১৬ লক্ষ টাকা নিয়ে পালায় চোর।
আর্থিক সংকটে জেরবার পাকিস্তান (Pakistan)। মুদ্রাস্ফীতির জেরে সেদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছেছে ২৭.৫৫ শতাংশে। যা গত ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। স্বাভাবিক ভাবেই আমজনতার এমন অবস্থায় নাভিশ্বাস উঠেছে। প্যাকেটজাত নয় এমন দুধের (Milk) লিটার প্রতি দাম পৌঁছে গিয়েছে ২১০ পাকিস্তানি টাকায়। অন্যদিকে গোটা মুরগির দাম পৌঁছেছে প্রায় ৫০০ পাকিস্তানি টাকায়। আর কাটা মুরগির (Chicken) কেজি প্রতি মূল্য কোথাও কোথাও ৮০০ ছুঁই ছুঁই! সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সত্যিই ভয়াবহ।
এদিকে কয়েকদিন আগে একসঙ্গে আটটি সিসিটিভি ক্যামেরা চুরি হয় লাহোরের (Lahore) গদ্দাফি স্টেডিয়াম থেকে। মাঠ থেকে উধাও বেশ কয়েকটি জেনারেটরের ব্যাটারিও। এছাড়াও স্টেডিয়াম (Gaddafi Stadium) থেকে একাধিক জিনিস চুরি হয়েছে বলেই পুলিশ জানিয়েছিল। পাকিস্তান দেনার দায়ে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। তাই একাধিক চুরির খবর আসছে। সব মিলিয়ে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি কিন্তু বহির্বিশ্বে ভাল হচ্ছে না।







