বকেয়া ডিএ আদায়ের দাবিতে আজ রাজ্যজুড়ে ধর্মঘট। বৃহস্পতিবার বিকেলেই সরকারি কর্মীদের ধর্মঘটে যাওয়া থেকে থেকে আটকাতে হাজিরা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয় নবান্নর তরফে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার যদি সরকারি কর্মীরা হাজির না থাকেন, তাহলে তাঁদের বেতন কাটার সঙ্গে সঙ্গে সার্ভিস ব্রেক হবে। কথা একই থাকল। এদিন জেলায় জেলায় ‘অ্যাটেনডেন্স ফরম্যাট’ পাঠানো হয়।
তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, ‘যিনি বলছেন আমার ডিএ চাই, তিনি ভাল করে জানেন যে তাঁর বাড়িতে কন্যাশ্রী থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অথবা রূপশ্রী থেকে স্বাস্থ্যসাথী পর্যন্ত বিভিন্ন সুরক্ষাকবচে তাঁর পরিবারও আছে। যেটা সরকারই চালাচ্ছে। ফলে মানুষের অসুবিধা হবে, এমন কোনও কাজ কোনও অবস্থায় করা যায় না।’ যা নিয়ে তরজা এখনও পুরো মাত্রায় বর্তমান।
আজ সকাল ১১টা নাগাদ নবান্ন-সহ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলিতে কর্মীদের হাজিরা ৯২ শতাংশ, এমনটাই সূত্রের খবর। কলকাতা পুরসভায় কর্মীদের পরিচয়পত্র দেখিয়ে তবে অফিসে প্রবেশাধিকার মিলেছে।







