স্ত্রী ও মেয়েকে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে৷ গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মা সাহানারা লস্কর ও মেয়ে শাকিলা লস্কর বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং থানার অন্তর্গত নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাংগাস খালি গ্রামে। রাতের অন্ধকারে এমন ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনায় আক্রান্ত বধূ ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় 20 বছর আগে পাঙ্গাস খালি গ্রামের যুবক শফিক লস্করের সাথে বিয়ে হয় গ্রামের শাহানারা লস্করের সাথে ।
দম্পতির তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সংসারের আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় ছেলেমেয়েদের মানুষ করার জন্য বধূ সাহানা লস্কর কলকাতার পরিচারিকার কাজ করেন। স্বামী সঠিক লক্ষ্য দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রী নিয়ে মঙ্গলবার পাংগাস খালি গ্রামে যাই। সেই নিয়েই প্রথম স্ত্রীর সাথে বচসা হয়। সন্তানদের মুখ চেয়ে প্রথম স্ত্রী শেষ পর্যন্ত স্বামীর এমন কীর্তি মেনে নেয়। অভিযোগ সংসার কী ভাবে চলবে এই নিয়ে আবারও বুধবার প্রথম স্ত্রীর সাথে বচসা হয় সফিকের।প্রতিবাদে সরব হয়ে ওঠে প্রথম স্ত্রী।
অভিযোগ, এরপর সঠিক তার প্রথম স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে।মারধরের হাত থেকে মাকে উদ্ধার করে দৌড়ে যায় মেয়ে। অভিযোগ তাঁকেও মারধর করা হয় লাঠি কোদালের বাঁট দিয়ে। ঘটনায় মা ও মেয়ে দু জনেই গুরুতর জখম হয়। পরে প্রতিবেশীরা তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে মা ও মেয়ে দুজনেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তদন্ত শুরু করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ ….







