পকসো আইনের ধারায় রুজু হওয়া মামলায় অভিযুক্তকে কুড়ি বছরের সাজা শোনালো বিশেষ আদালত। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন নাবালিকার সাথে সহবাস এই মামলায় অভিযুক্ত অমরেশ মাহাতোকে ২০ বছরের করাদন্ডের নির্দেশ দেন পকসো আদালতের বিচারক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়।
জামবনি থানার এই ঘটনায় অভিযুক্ত আমরেশ মাহাতো ২০২১ সাল থেকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি নাবালিক মেয়েটির সাথে সহবাসে লিপ্ত হত। তার জেরে নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিন্তু অভিযুক্ত বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকে। এরপর গত ২২.১২. ২০২২ তারিখ নাবালিকা জামবনি থানায় অমরেশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।অভিযোগের কয়েক দিনের মধ্যেই পুলিশ বিভিন্ন সূত্র মারফতর পলাতক অমরেশকে ঝাড়খন্ড রাজ্যের জামশেদপুর থেকে গ্রেফতার করে। পুলিশ এই ঘটনা দ্রুততার সাথে চার্জশিট গঠন করে। পকসো আইনের ৬ ধারায় বুধবার পকসো আদালতের বিচারক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় অমরেশ মাহাতোকে দোষীকে সাব্যস্থ করেন। এদিন বৃহস্পতিবার পকসো আদালত সাজা করে।
দোষী সাব্যস্থ হওয়া ওই ব্যক্তিকে ২০ বছরের কারাদন্ডের এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেয় আদালত। অনাদায়ে তিন মাস সশ্রম করাদন্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেয় আদালত। এছাড়া সরকারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ওই নাবালিকাকে তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।







