কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে মোহামেডান স্পোর্টিং-এর দশ জনের সাহসী লড়াই। তবুও বেঙ্গালুরু এফসি ৩-২ গোলে জয়ী হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। ইস্টবেঙ্গল প্রাক্তনী মহিতোষ রায়ের অতিরিক্ত সময়ে করা বিশ্বমানের গোলও সাদা কালো বিগ্রেড পরাজয় এড়াতে পারেনি।
ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে মোহামেডান স্পোর্টিং তাদের গোলরক্ষক শুভজিৎ ভট্টাচার্যকে হারিয়ে দশ জনে পরিণত হয়, যখন রেফারি বেঙ্কটেশ আর তাকে পেরেইরা দিয়াজের ওপর ফাউলের জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
বেঙ্গালুরু এফসি গ্রুপ বি-তে তাদের সবক’টি ম্যাচ জিতে পরবর্তী রাউন্ডে পৌঁছেছে। আলেকজান্ডার জোভানোভিচ (৭ মিনিটে) এবং দীপু হালদারের আত্মঘাতী গোল (২২ মিনিটে) বেঙ্গালুরুকে প্রথমার্ধেই ২-০ লিড এনে দেয়। ভিনিথ বেঙ্কটেশের বাম পায়ের দুর্দান্ত শট ৬০ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে দেয়।
মোহামেডান স্পোর্টিং তাদের কোচ হাকিম সেনগেন্দোর নেতৃত্বে ৭৭ মিনিটে ইসরাফিল দেওয়ানের হেডারে একটি গোল ফেরায়। শুভজিৎ ভট্টাচার্যকে হারানোর পর দীপু হালদার গোলরক্ষকের দায়িত্ব নেন এবং সুনীল ছেত্রীর ফ্রিকিক বাঁচান।
অতিরিক্ত সময়ে লাল হলুদ প্রাক্তন মহিতোষ রায়ের ৪০ গজ দূর থেকে করা চমৎকার গোল মোহামেডানকে ২-৩ স্কোরে নিয়ে আসে, কিন্তু শেষ মুহূর্তের এই প্রচেষ্টা যথেষ্ট ছিল না। বেঙ্গালুরু এফসি তাদের লিড ধরে রেখে তিন ম্যাচেই জয়লাভ করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্থান করে নেয়।
মোহামেডান স্পোর্টিংয়ের জন্য এটি একটি দুঃখজনক পরাজয় হলেও, তাদের সাহসী লড়াই ও মহিতোষ রায়ের গোল ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে।







