আজ অর্থাৎ ২সেপ্টেম্বর সোমবার ভোর ০৫.০৫ এ শুরু হয়েছে অমাবস্যা। থাকবে মঙ্গলবার অর্থাৎ ৩রা সেপ্টেম্বর সকাল ৬.২৯ পর্যন্ত।আজ ভোর চারটের সময় মা তারাকে স্নান করানো হয়। আর তারপরেই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় মা তারার গর্ভগৃহের মন্দির। এরপর মা তারা কে রাজরাজেশ্বরী বেসে সাজিয়ে মঙ্গল আরতি করা হয়।এছাড়াও যেহেতু রাত থেকেই ভক্তরা লাইন দিতে শুরু করে সেই জন্য রবিবার রাত থেকেই খোলা হয় মন্দির চত্বর।
মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় জানান এই দিন সন্ধ্যা আরতির সময় মাকে স্বর্ণালঙ্কার দিয়ে মা তারা কে সাজানো হবে রাজ বেশে। এছাড়াও আজ দুপুরের অন্য ভোগে মা তারাকে নিবেদন করা হবে পোলাও,খিচুড়ি,অন্ন,দু’রকমের ভাজা,শোল মাছ ভাজা,নানান রকমের তরকারি,এছাড়াও থাকবে মাছ,বলির পাঁঠার মাংস, পায়েস,মিষ্টি,চাটনি ইত্যাদি।
এর পাশাপাশি সন্ধ্যাবেলায় নিবেদন করা হবে লুচি,সুজি,পাঁচ রকমের ভাজা ও নানান রকমের মিষ্টান্ন মুড়কি।আর রাত্রে ভোগ দেওয়া হবে খিচুড়ি,মাছ ভাজা আর বলি হলে সেই বলির পাঁঠার মাংস।এছাড়াও কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে গোটা মন্দির চত্বর সাজানো হয় লাইট এবং ফুলের মালা দিয়ে।
এর পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য ১০০০ পুলিশ কর্মী, ৩০০ অফিসার এবং ১৭০০ সিভিক ভলেন্টিয়ার তারাপীঠে মোতায়েন রয়েছে কৌশিকী অমাবস্যায়।দশটি ওয়াচ টাওয়ার।রয়েছে ৩৭টি ব্লক গেট।পুলিশ এসিস্টেন্ট বুথ ২১ টি।এন্টি ক্রাইম পেট্রোল টিম ১৩ টি। ২০০ টি সিসিটিভি।এছাড়াও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারাপীঠের ঘাট গুলিতে রয়েছে ডুবুরি।এবং তারাপীঠ মন্দির সহ এলাকা জুড়ে চলছে ড্রনের মাধ্যমে নজরদারি।







