বারুইপুর হাসপাতালে ফের চিকিৎসককে হুমকির অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার আউটডোর বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক অভিজিৎ নস্করকে এক মহিলা ‘চাকরি খেয়ে নেওয়ার’ হুমকি দেন। অভিযুক্ত মুনমুন মোল্লা নিজেকে তৃণমূল নেত্রী এবং জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দেন।
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা তাঁর সঙ্গে থাকা ন’জন যুবককে নিয়ে হাসপাতালে আসেন ও লাইনের বাইরে থাকা অবস্থায় চিকিৎসা করানোর দাবি করেন। কিন্তু চিকিৎসক লাইনে থাকা রোগীদের প্রথমে দেখার কথা বললে মহিলা ক্ষুব্ধ হয়ে টেবিল চাপড়ে হুমকি দেন। তিনি বলেন, “আমি তৃণমূল নেত্রী। যদি পরীক্ষা না করে দেন, চাকরি খেয়ে নেব।”
এই ঘটনায় সুপার ধীরাজ রায় থানায় অভিযোগ জানান। পুলিস এসে মুনমুন মোল্লাকে আটক করে। রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুনমুন মোল্লা জয়নগর ২ নম্বর ব্লকের গড়দেওয়ানি পঞ্চায়েতের বামুনের চক এলাকার বাসিন্দা ও এলাকায় ‘মাতব্বর’ হিসেবে পরিচিত। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের পরিচয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
ঘটনার প্রসঙ্গে মুনমুন সংবাদমাধ্যমকে জানান, “ওই চিকিৎসক আমাকে অপমান করেছেন, তাই আমি বলেছি চাকরি কীভাবে থাকে দেখব।” তবে বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
এদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সতর্ক বার্তাকে উপেক্ষা করে। এই ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই দলের মধ্যে অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে।







