নবান্নে বৈঠকের জন্য আজ হঠাৎ বৃহস্পতিবার ফের চিঠি পাঠায়। সেই চিঠিতে মুখ্য সচিব স্পষ্ট তো জানায় ১৫ জনের বিশেষ বৈঠকে থাকতে পারবে না এবং কোনভাবেই সরাসরি সম্প্রচার সম্ভব নয়। যেখানে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি ছিল তারা ৩০ জন প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠকে যাবে। সরাসরি সম্প্রচার করতে হবে ।
সেই ভাবে আবারো ছাত্রদের তরফ থেকে নবান্ন চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেই চিঠি তে উল্লেখ করা হয়েছে তারা ৩০ জনই বৈঠকে যেতে চায় এবং সরাসরি সম্প্রচার করতেই হবে। কোনো ভিডিও রেকর্ডিংয়ের বক্তব্যে রাজি হননি।
ইতিমধ্যেই তারা নিজেরাই নবান্নে গিয়ে পৌঁছেছে। তারা ৩০ জন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তেমনটাই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নবান্ন তরফে। তবে সরাসরি সম্প্রচার নিয়ে জল্পনা থাকলেও এই মুহূর্তে সরাসরি সম্প্রচারের আবেদন নাকচ করে দিলো নবান্ন।
পাল্টা আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন সরাসরি সম্প্রচার না হলে তারা বৈঠক করবেন না ভেতরে যাবেনা।
অতি নাটকীয়তার মধ্যে ডিজি এবং মুখ্য সচিব তারা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান কোনভাবেই সরাসরি সম্প্রচার সরকারের অনুমতি ছাড়া সম্ভব নয়। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন নবান্ন সভাগৃহ থেকে এবং তিনি সেখান থেকে বলেন প্রতিদিন তিনি অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকদের জন্য তিনি আশা করেননি যে ঘটনা ঘটতে পারে তিনি এও বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন কোন মামলা বিষয়ক কোন কথাবার্তা তিনি লাইফ স্ট্রিমিং করতে পারেন না। এমনকি তিনি এও বলেছেন নবান্ন সভাগৃহের বৈঠকের বিষয় ছিল মেডিকেল কলেজগুলির উন্নয়ন। তিনি বলেছেন প্রায় 27 জনের মৃত্যু হয়েছে এই কর্ম বিরতির কারণে। এবং তিনি স্পষ্ট তো বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকদের জন্য তিনি দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করলেও তারা আসেননি এবং তাদের ছোট হিসেবে তিনি ক্ষমা করে দিতে চান। এই বলে তিনি সাংবাদিক বৈঠক সমাপ্ত করেন।
অতি নাটকীয়তা চরম পর্যায়ে পৌঁছে দেয় এই বৈঠক। অবশেষে এই বৈঠক সম্ভব হলো না। দোরগোড়ায় এসে বৈঠক থেকে বিরত থাকলেন আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। কারণ তাদের দাবি সম্পূর্ণ মানা হয়নি।







