শনিবার সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তালা থানার ওসিকে গ্রেফতার করা হয় অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে। পাশাপাশি সন্দীপ ঘোষ কেও সিবিআই গ্রেফতার করে একই অভিযোগে। যদিও সন্দীপ ঘোষ কে আর কি করে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত দুর্নীতি মামলায় ই ডি গ্রেফতার করেছিল আগে।
অভিযোগ উঠেছিল সন্দীপ ঘোষের সাথে ঘটনার দিন তালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলের সাথে যোগাযোগ হয়। তার বেঙ্গলি হেলো নেই সমস্ত কিছু ঘটেছে পাশাপাশি টাইম সিনে দেখা গেছে একাধিক মানুষকে। যেখানে আধঘন্টা থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে কর্ডন অফ করা হয় সেখানে কোন প্রকার কর্ডন করা হয়নি ঘটনাস্থলে। সেই ঘটনায় বার বার সাংবাদিক বৈঠক করে বিসি নট ডিসি সেন্ট্রালকে বলতে দেখা যায় তারা ঘটনাস্থল কর্ডেন অফ করেছিল কিন্তু ভাইরাল ভিডিওতে উঠে এসেছে ঘটনাস্থলে কোনরকম অর্ডার ছিল না বহু মানুষ সেখানে ভিড় করেছিল। ফলতো ঘটনাস্থল অর্থাৎ ক্রাইমসিন বিকৃত হয়েছে সেখানে প্রমাণ লোপাট এর আশঙ্কা গাঢ় হয়েছে।
ডি সি নর্থ ডিসি সেন্ট্রাল শহরের নগর পাল অর্থাৎ পুলিশ কমিশনারের গোয়েল এর সাথে সরাসরি ভাবে যুক্ত বলে মনে করছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, তলব করা হতে পারে পুলিশ কমিশনারেট বিনীত গোয়েলকে। মঙ্গলবার আরজিকর কান্ডের কোন ধর্ষণ মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই শুনানির পরই বিনীত কোয়েলকে তলপ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।







