দুর্যোগের সতর্কবার্তা পেয়ে গভীর সমুদ্র থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ তিনটি ট্রলার। তিনটি ট্রলারে মোট ৪৯ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ট্রলারগুলির খোঁজে মৎস্যদপ্তর ইতিমধ্যেই উপকূলরক্ষী বাহিনীকে জানিয়েছে। তল্লাশিতে নেমেছে কোস্ট গার্ড। কাকদ্বীপ ঘাট থেকে এফবি বাবা নীলকন্ঠ ও ডায়মন্ডহারবার মৎস্যবন্দর থেকে এফবি শ্রী হরি ও এফবি মা রিয়া নামে তিনটি ট্রলার মাছ ধরতে গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেয়। নিম্নচাপের জেরে ঝোড়ো হাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে আবহাওয়া দপ্তরের এই সতর্কবার্তা পেয়ে ট্রলার গুলি উপকূলের দিকে ফিরছিল।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে ওই ট্রলার তিনটির সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।সময় যত বাড়ছে উদ্বিগ্নে রয়েছেন নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবার গুলি। সোমবার সকাল থেকেই মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যরা মালিকের বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছেন। নিখোঁজ তিনটি ট্রলারে মোট ৪৯ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন।মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, “এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোন খবর দেওয়া হয়নি।” জানা গিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকার কারণে সব মৎস্যজীবী ডলার নিয়ে সমুদ্র থেকে উপকূলে ফিরে এসেছে। কিন্তু উপকূলে ফেরার সময় কয়েকটি ট্রলারের মেশিন ও ওয়্যারলেস বিকল হয়ে যায়। ওই ট্রলার গুলির সঙ্গে কোনভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। বিষয়টি উপকূল রক্ষী বাহিনীকে জানানো হয়েছে।
কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, “তিনটি ট্রলারের সঙ্গে কোনভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ওই তিনটি ট্রলারে মোট ৪৯ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন। আজ সকাল থেকে উপকূল রক্ষী বাহিনী হেলিকপ্টার নিয়ে সমুদ্রে তল্লাশি চালাবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও মৎস্যজীবী সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে পাঁচটি ট্রলার তল্লাশির জন্য সমুদ্র পাড়ি দেবে।” তিনি আরও বলেন, “এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও চারটি ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন ট্রলার গুলি নিখোঁজ রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে।”







