চম্পাহাটির ছোট্ট গ্রাম রায়পুর থেকে উঠে আসা প্রদীপ বিশ্বাসের জীবনভর ফুটবলের প্রতি ভালবাসা এবং সংগ্রামের গল্প নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন অর্থের অভাবে পূর্ণ না হলেও, তাঁর ছেলে দীপেন্দুর মধ্যে সেই স্বপ্ন পূরণের আশা ছিল অটুট। প্রদীপবাবু, যিনি জীবনযাপনের জন্য নলকূপ বসানোর কাজ করেন, নিজের সামান্য আয়ে ছেলের ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। দীপেন্দুও বাবার স্বপ্নকে পূর্ণ করতে কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেছেন।
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের হয়ে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে দীপেন্দুর গোলটি শুধুমাত্র সমতা ফেরায়নি, বাবার দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতিও উজ্জীবিত করেছে। প্রদীপ বিশ্বাসের অনুপ্রেরণা এবং মনোজিৎ দাসের প্রশিক্ষণ দীপেন্দুকে শিখিয়েছে কীভাবে একজন দক্ষ ফুটবলার হয়ে ওঠা যায়। শুরুর দিকে গোলকিপার থাকলেও মনোজিতের নির্দেশনায় রক্ষণভাগ থেকে উঠে এসে সুব্রত ভট্টাচার্যের মতো গোল করার ক্ষমতা অর্জন করেছেন দীপেন্দু।
শিক্ষাজীবনেও দীপেন্দুর অধ্যবসায় কম নয়। ফুটবলের পাশাপাশি তিনি স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। বাবার মতোই পরিশ্রমকে জীবনের মূলমন্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন।







