বর্তমান সমাজে ও টি টি প্ল্যাটফর্মের চল অনেক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। দর্শকদের জন্য রয়েছে হরর, কমেডি, থ্রিলার, রোম্যান্টিক এর মত হরেক রকম কন্টেন্ট। যে মানুষ যে কন্টেন্ট পছন্দ করেন, তারা সেই কনটেন্ট দেখার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন খুব সহজেই। শুধু মাত্র চাই একটি স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট এবং ও টি টি প্ল্যাটফর্মের সাবস্ক্রিপশন। কিন্তু ও টি টি প্ল্যাটফর্মের জন্য কোথাও না কোথাও প্রেক্ষাগৃহের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। হ্রাস পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা ও তার দর্শক। এবং এই বিষয় নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন টলি পাড়ার প্রযোজক ও অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, বাংলা ছবির উন্নতি ও প্রেক্ষাগৃহের ঐতিহ্য বজায় রাখার জন্য প্রসেনজিৎ প্রায় ১০০টি ছোট প্রেক্ষাগৃহ বানানোর সিধান্ত নিয়েছেন। বেশ কয়েক দিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, জাতীয় স্তরে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন অভিনেতা। তিনি জানান, প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের পর অন্ন সংস্থানও হবে বহু মানুষের। তারা সেই প্রেক্ষাগৃহের বিভিন্ন অংশে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের পথও খুঁজে পাবেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘মাইক্রো ফরম্যাট’-এ প্রেক্ষাগৃহ বানানোর সিধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন দর্শক বসতে পারবেন। এবং এমনটাও জানা গিয়েছে যে, কেবল মাত্র বড় বড় শহরেই নয় প্রত্যন্ত গ্রামেও এই প্রেক্ষাগৃহ তৈরি হবে। যার ফলে সব ছবি সব শ্রেণির মানুষ উপভোগ করতে পারবেন।
এক সাক্ষাৎকারে নবীনা প্রেক্ষাগৃহের মালিক নবীন চৌখানি বলেন, “কমতে কমতে সিঙ্গল স্ক্রিনের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। অনেক দিন ধরেই আলোচনা হচ্ছে, সেই সংখ্যা বাড়াতে হবে। পুরোটাই আলোচনার স্তরে ছিল। বুম্বাদা অবশেষে তাকে বাস্তবে পরিণত করতে চলেছেন। খুব ভাল লাগছে।”
পরিবেশক শতদীপ সাহা বলেন, “বুম্বাদা যদি আমায় ওঁর সঙ্গে নেন খুব ভাল লাগবে। কারণ, কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহ তৈরির সুবাদে কিছু সামান্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে। সেটা তা হলে কাজে লাগাতে পারব।”
অপর দিকে প্রযোজক এবং অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা সাক্ষাৎকারে জানান, “আমরা কেবল নানা পরিকল্পনা নিই। বাস্তবায়িত করে ওঠা হয় না অনেক সময়। বুম্বাদা কাজে করে দেখাচ্ছেন।” অঙ্কুশ আরও আনন, বাংলার বিনোদন দুনিয়ার উন্নতির স্বার্থে একের পর এক নতুন ও আলাদা ধরণের কন্টেন্টের ছবি তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য সঠিক জায়গা পাওয়া খুব মুশকিল। কিন্তু তিনি খুশী হলেন যে কেউ একজন এই বিষয় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন।







