বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ডানার দাপট চলেছে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত। ক্রমাগত শক্তি সঞ্চয় করে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পরে ওড়িশার স্থলভাগে। ঝড়ের দাপটে ওডিশার ভদ্রকের ধামারায় রাস্তার ওপর একের পর এক গাছ।
ওড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের ডানা মেলার সম্ভাবনা ছিল। তবে বাংলার মাটিতে প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া ছাড়া তেমন কোন প্রভাব পরেনি। তাই জন্য শুক্রবারের ভোরের আলো ফুটতেই নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিমান ও রেল পরিষেবা। তবে এই ঘূর্ণিঝড় ডানা ঝাপটেছে ও ড়িষ্যার মাটিতে। বৃহস্পতিবার ১১:১২ নাগাদ ল্যান্ড ফল হয় ঘূর্ণিঝড় ডানার।
ঘূর্ণিঝড়ের শেষ অংশ অতিক্রম করে ভিতরকণিকা এবং ধামারার কাছ থেকে মধ্যবর্তী স্থানে স্থলভাগে ঘূর্ণিঝড়ের সামনের অংশ অতিক্রান্ত করে রাত ১:৩০ নাগাদ। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চলেছে এই ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া। সেই সময় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। এমনকি সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১২০ কিলোমিটার।
এছাড়াও ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী হাবালিখাটি নেচার ক্যাম্পের কাছ থেকে স্থলভাগ। প্রবল বেগে বইতে থাকে ঝড়ো হাওয়া। পাশাপাশি ডানার চোখ রাঙানিতে ওড়িষ্যার ভদ্রকের ধামারায় রাস্তার ওপর অনেক গাছ ভেঙে পরে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সাগর, নামখানা, পাথর প্রতিমায় বেশ কিছু গাছের ডাল ভেঙেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় সে সমস্ত গাছ কেটে সরিয়ে ফেলা হয়। আজও বন্ধ থাকবে এরই পরিষেবা। পাশাপাশি মহানগরীর আকাশের মুখ ভার থাকবে দিনভর। একইসঙ্গে চলবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি।







