গঙ্গাসাগর, ২০২৫ — আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬-এর আগে সাগরতটে চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতা। সমুদ্রের ভয়ঙ্কর ভাঙন রুখতে ও ক্ষতিগ্রস্ত সি-বিচ ও বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। প্রতিবছরই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভাঙনের পরিমাণ বাড়ে বলে এবার আর কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ সেচ দপ্তর।
সূত্রের খবর, ভাঙন প্রতিরোধে বিশেষ প্রযুক্তিতে মাটি সংগ্রহ করে তা সমুদ্র সৈকতে ফেলার কাজ চলছে পুরোদমে। সেই মাটি ও কাজের মান যাচাই করতে মঙ্গলবার সকালেই সরেজমিনে উপস্থিত হন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তিনি কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, “গঙ্গাসাগর মেলা আমাদের ঐতিহ্য। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয় এখানে। নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা—সব কিছুই প্রশাসনের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”
আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। এই মেলাকে ঘিরে প্রতি বছর যেমন তীর্থযাত্রীদের ঢল নামে, তেমনি বাড়ে প্রশাসনের দায়িত্বও। তাই নিরাপত্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে যাতায়াতের পরিকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই চলছে জোরকদমে প্রস্তুতি।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কাজ যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হয়, তার জন্য জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কর্তারা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন।
উল্লেখযোগ্য:
গঙ্গাসাগর মেলা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও প্রতীক। সেই ঐতিহ্যের সুরক্ষায় প্রশাসনের এই তৎপরতা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।







