‘মানিক ভট্টাচার্যের জুতোয় পা গলাবেন না।’ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এক মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়া বর্তমান পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের প্রতি এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির উবাচ, ‘মানিক ভট্টাচার্যের রেখে যাওয়া জুতোয় পা গলাবেন না।’
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, চোদ্দ সালের টেটের শংসাপত্র সংক্রান্ত এক মামলায় আজ আদালতে হাজিরা দেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। তিনি জানান, আর্থিক সমস্যা থাকায় পরীক্ষার্থীদের শংসাপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন, ‘আমার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাতারাতি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সময় টাকা থাকে, আইনজীবীদের পিছনে ত্রিশ লক্ষ টাকা খরচ করার সময় অসুবিধা হয় না, অথচ টেটের শংসাপত্র দেওয়ার সময় অর্থনৈতিক রীতিনীতির দোহাই দেওয়া হয়।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে চোদ্দ সালের প্রাথমিকের টেট পরীক্ষার উত্তীর্ণ সব চাকরিপ্রার্থীকে শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় রায়ে জানিয়ে দেন, আগামী ২ বছর শংসাপত্রের মেয়াদ থাকবে।







