বর্তমানে রাজনীতিক মহল তোলপাড় ‘SIR’ ইস্যুতে। এবার সেই কারণেই দিল্লির বুকে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। যার জন্য ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেখানেই গ্রেফতার হয় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা সহ একাধিক সাংসদ। এমনকি সংজ্ঞাহীন হয়ে পরে একাধিক তৃণমূল সাংসদ।
বিহারে চলেছে ‘SIR’। যার জন্য বহু মানুষের নাম বাতিল পরেছে এই তালিকা থেকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে ‘SIR’ লঘু করার জন্য। এছাড়াও আরও বিভিন্ন রাজ্যে হতে পারে নির্বাচন কমিশনের এই অভিযান। তার আগে বিরোধীরা এককাট্টা হয়ে প্রতিবাদে নেমেছে। এমনকি বারংবার সংসদ ভবনে এই ইস্যু নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। তবে সেই দাবি মেনে নেওয়া হয়নি। তাই তারা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলি। সেই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
দিল্লি পুলিশের অনুমতি ছাড়া সংসদ ভবন থেকে মিছিল বের হয়। এরপর ব্যারিকেড দিয়ে সেই মিছিল আটকানোর চেষ্টা হলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাঁধে বিরোধী সাংসদদের। এরপর শাড়ি পরেই ব্যারিকেডের উপর চড়েন মহুয়া, সুস্মিতা-সহএকাধিক তৃণমূলের সাংসদরা। অন্যদিকে ব্যারিকেড টপকে এসে সপা সাংসদ অখিলেশ যাদব, ভূপেন্দ্র যাদবরা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। এই উত্তাল পরিস্থিতিতেই অসুস্থ হয়ে পরেন আরামগাগের সাংসদ মিতালী বাগ ও কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মিত্র। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এমনকি তারপরই দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ প্রায় শতাধিক সাংসদ।
এপ্রসঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, “ওরা কথা বলতেই চায় না, কারণ ওরা মুখ লুকোতে চাইছে। সত্যিটা গোটা দেশের সামনে চলে এসেছে। এই লড়াই রাজনৈতিক নয়, সংবিধান বাঁচানোর লড়াই। ফলে আমরা চাই সঠিক ভোটার লিস্ট।”







