কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী? কিডনিতে পাথরের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে তীব্র পিঠে ব্যথা, প্রস্রাবে রক্ত, বমি বমি ভাব, বমি, জ্বর, ঠান্ডা লাগা, দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব ইত্যাদি।
কিডনিতে কেন জমতে থাকে পাথর?
অতিরিক্ত মাংস খেলেই বিপদ। কম জল খেয়েছেন কী মরেছেন। কম সবজি খেলেও সমস্যা। বেশি নুন খাওয়া ক্ষতিকর। বংশগত কারণেও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মাঝে মাঝে ডিহাইড্রেশন হলেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন হলেও কিডনিতে পাথর জমতে পারে। মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত টপিরামেট জাতীয় ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
ওজন বাড়লেও মারাত্মক বিপদ। কিডনির ভিতরের এই পাথরগুলি মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রথলিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাথর যখন সংকীর্ণ নালির মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কখনও কখনও নালিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অপারেশন ছাড়া পথ থাকে না। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অফ হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয়।
গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ২ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ৬ আউন্স জল মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোওয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে।







