সন্তোষ ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বাংলার ফুটবল আবারও নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করলো। হায়দরাবাদে চূড়ান্ত খেলায় কেরালাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে ৩৩তম শিরোপা ছিনিয়ে এনেছে দলটি। এই সাফল্যের স্বীকৃতিতে বুধবার কলকাতায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ঘোষণা করেন, “বিজয়ী দলের ২২ জন খেলোয়াড়কে কলকাতা পুলিশের সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ করা হয়েছে।”
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়ী দলকে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দিয়েছে ও ভবিষ্যতে বাংলার ফুটবলে আরো প্রতিভা তৈরি করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। অরূপ বিশ্বাস বলেন, “বর্তমানে জাতীয় দলে একমাত্র সুবাসিষ বোস আছেন। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা বাড়াতে হবে। কলকাতা লিগের মাধ্যমে স্থানীয় প্রতিভা গড়ে তুলতে হবে। কারণ, ভারতীয় ফুটবল তখনই উন্নত হবে, যখন বাংলার ফুটবল উন্নত হবে।”
দলের কোচ সঞ্জয় সেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, “সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে সাফল্য আসবেই। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে ৪০ জনের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করি। শেষে ২২ জনের দল চূড়ান্ত হয়।”
বিজয়ী দলের দুই খেলোয়াড় ইতিমধ্যেই মোহামেডান স্পোর্টিং-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা এই খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন রবী হান্সদা, যিনি ফাইনালে জয়ের নায়ক ছিলেন।
আইএফএ-র সভাপতি সুব্রত দত্ত সঞ্জয় সেনের প্রশংসা করে বলেন, “সেন ভারতের সেরা কোচ। তাঁর নেতৃত্বেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।”
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ভবানীপুর ক্লাব একটি জুনিয়র ফুটবল অ্যাকাডেমি শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ক্লাব সভাপতি স্বপন সাধন বসু বলেন, “বাংলার প্রতিভা বিকাশের জন্যই এই উদ্যোগ। সঞ্জয় সেন এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকবেন।”
বঙ্গ ফুটবলের এই নবযাত্রা বাংলার খেলাধুলায় নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলেই আশা।







