আফগানিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক তীব্রতর হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী গেইটন ম্যাকেঞ্জি এই বিষয়টিকে ‘ভণ্ডামি ও অনৈতিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, তালিবান শাসনের অধীনে আফগানিস্তানে নারীদের প্রতি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে, তা অ্যাপারথাইডের সঙ্গে তুলনীয়।
ফেব্রুয়ারি ২১ তারিখে করাচিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এর আগেই ম্যাকেঞ্জি স্পষ্টভাবে বলেছেন, “অ্যাপারথাইডে আমরা যেমন বৈষম্যের শিকার হয়েছি, আজ বিশ্ব একই ধরনের বৈষম্য মেনে নিলে তা হবে দ্বিচারিতা।”
এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ পিটার হেইন ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকাকে চিঠি দিয়ে আফগান নারীদের খেলাধুলার ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এর জবাবে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (CSA) জানিয়েছে, আইসিসি-র নিয়ম অনুসারে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর জন্য একটি জাতীয় মহিলা দল এবং নারীদের ক্রিকেট কার্যক্রম থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু তালিবান শাসনে ২০২১ সাল থেকে আফগানিস্তানে নারীদের ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল করেছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সেপ্টেম্বরে আমিরাতে একটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। তাদের যুক্তি, তালিবান শাসনের কারণে আফগান ক্রিকেটারদের শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ বিষয়টি বিতর্কিত অবস্থায় রয়েছে। তবে আইসিসি এখনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়েছে।







