আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ১০ই এপ্রিল থেকে ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যে তাপপ্রবাহের (Heatwave) পরিমাণ বাড়বে। জানা গিয়েছে, কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে। শুকনো আবহাওয়ার কারণে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খুব প্রয়োজন না পড়লে বাড়ির বাইরে বের না হওয়া ভাল। কারণ, চড়া রোদে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
আর এই প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচার জন্য আমাদের খাওয়ার দাওয়ার প্রতিও নজর দিতে হবে। এই সময় বিশেষ কিছু খাবার খেতে হবে। যাতে শরীর থাকবে ঠান্ডা। আর তাই আজ, আমরা আপনাকে এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে বলব, যা গরমকে হারাতে এবং আপনার শরীরকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করবে।
(১) অ্যাভোকাডো :
অ্যাভোকাডো সত্যিকার অর্থে একটি সুপার ফুড। এটি উচ্চ পরিমাণে মনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড দ্বারা পরিপূর্ণ, যা রক্ত থেকে তাপ এবং বিষাক্ত পদার্থগুলিকে অপসারণ করতে সহায়তা করে। এটি সহজে হজম হয়, তাই এটি হজম করার জন্য আপনার শরীরকে বেশি তাপ তৈরি করতে হবে না।
(২) পুদিনা ও লেবু :
পুদিনা একটি শীতল ঔষধি। আর লেবুতে শীতল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে লেবু ও পুদিনা পাতা দিয়ে ঠন্ডা পানীয় তৈরি করতে পারেন।
(৩) কলা :
তাৎক্ষণিক এনার্জি প্রদানের মতো অন্যান্য সুবিধা ছাড়াও কলা একটি দুর্দান্ত শীতল খাবার। এটি আপনার টিস্যুগুলিকে সঙ্কুচিত করে, আরও জল শোষণে সাহায্য করে দেয়, যা আপনার শরীরকে ঠান্ডা করে।
(৪) শসা :
সকলেই শসার উপকারিতা জানে। এই মূত্রবর্ধক সবজিটি শুধুমাত্র আপনার ত্বকের জন্য বিস্ময়কর কাজ করে না, এটি টক্সিন বের করে দিতে এবং হজমে সাহায্য করে।
(৫) তরমুজ :
তরমুজের বেশিটাই জল। তাই এটি আপনার শরীরের জলের চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। এই গ্রীষ্মের ফলটিও দারুণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা দীর্ঘস্থায়ী শীতল প্রভাব দেয়। তরমুজ আপনার শরীরকে ঠান্ডা করতে এবং আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করতেও সমানভাবে কার্যকর।
(৬) ডাব :
ডাবের জলে ইলেক্ট্রোলাইটে ভরা থাকে, যা আপনাকে হাইড্রেটেড এবং ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
(৭) পেঁয়াজ :
এটি অযৌক্তিক মনে হতে পারে, তবে পেঁয়াজেরও শীতল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি আপনাকে সান স্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। লাল পেঁয়াজে কোয়ারসেটিন থাকে, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অ্যালার্জেন হিসেবে বিবেচিত হয়।
(৮) দই :
দই একটি গ্রীষ্মকালীন অপরিহার্য খাবার। কারণ এটি আপনার শরীরে শীতল প্রভাব ফেলে। গরমে পেট ঠাণ্ডা রাখতে দই খেতে পারেন। দই ল্যাক্টোব্যাসিলাস ভাল ব্যাকটেরিয়াকে উদ্দীপিত করে।







