বর্তমান যুগে কচিকাঁচারাও জানে সেলফির মানে। মোবাইলটিকে , ঠিক কী ভাবে ধরে কোন পজিশনে দাঁড়িয়ে কোন অপশনে ক্লিক করলে, ছবি ভাল আসতে পারে সে সব অজানা নেই শিশুদেরও । সবার হাতেই এখন উন্নত ক্যামেরা দেওয়া মোবাইল , যা ছবি তোলা জিনিসটাকে আরো অনেকটা সহজ করে দিচ্ছে । তবে , সহজে চটজলদি হাতের নাগালে আসা এ কালের ছবি তোলার জন্য কি ‘ফটোগ্রাফি’ শব্দটা ধীরে ধীরে সস্তা হয়ে যাচ্ছে? না একেবারেই নয় ।
ফটোগ্রাফিতে একটা সীমার পর এগোতে গেলে তা আর মোবাইলের মাধ্যমে সম্ভব নয়। মোবাইলের ছবি তোলা যেখানে শেষ, ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয় ক্যামেরার জাদু। আর এই জাদুর জাদুকরদের দাম আগেও যেমন ছিল, আজও তেমনই আছে। বরং এই ডিজিটাল যুগের জামানায় তাঁদের দামটা আরো বাড়ছে । উন্নত ক্যামেরা আর সহযোগী নানা উন্নত যন্ত্রাংশের ব্যবহার একজন আলোক চিত্রকরকে আরো অনেক বেশি উন্নত কাজ করতে সাহায্য করে। যত বেশি জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে যাবে ফটোগ্রাফি, ততই বেশি দাম বাড়বে ফটোগ্রাফারের দক্ষতার।
সেরকমই একজন ফটোগ্রাফার হলেন অলোক দাস। রিয়ালোক ফটোগ্রাফির কর্ণধার তিনি ।তাঁর ফটোগ্রাফির যাত্রাটা শুরু হয় ২০১৮ সালে।অলোক দাস,প্রথমে কাজ করতেন একজন স্ট্রিট ফটোগ্রাফার হিসাবে,তারপর ধীরে ধীরে,নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন ওয়েডিং ফটোগ্রাফার হিসাবে। তবে এই সবের মাঝেও , তিনি ভুলে যান নি নিজের ভালোবাসাকে। ভালোবাসা হলো ক্রিয়েটিভ ফ্যাশন ফটোগ্রাফি । সেক্ষেত্রেও যথেষ্ট নাম কামিয়েছেন অলোক দাস।





