নবম পর্যায়ের দুয়ারে সরকার কর্মসূচির শেষ দিনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ১ ব্লকের বরিদায় দেখা গেল এবার রেকর্ড সংখ্যক ভিড়। ফলে উপকৃত উপভোক্তার সংখ্যাও বেশ খানিকটা বাড়বে বলেই মনে করছেন অনেকেই। তবে বেড়েছে এই শিবির থেকে প্রাপ্ত সুবিধার সংখ্যাও। এখন থেকে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদনের সুবিধাও থাকছে দুয়ারে সরকার শিবিরে। এদিন সকাল থেকেই বরিদায় গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে শিবির পরিদর্শনের পাশাপাশি আমজনতাকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করতে ময়দানে নামতে দেখা যায় খোদ বরিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সিদ্ধেশ্বর বেরা, জেলা পরিষদের সদস্য শান্তনু নায়ক, উপ-প্রধান সঙ্গীতা রায় ও ব্লকের কর্মাধ্যক্ষ শেখ সুমন। এছাড়াও নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই দুয়ারে সরকার শিবিরের বিভিন্ন ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
তবে শিবিরে উপলব্ধ প্রকল্পগুলি সম্বন্ধে আমজনতাকে সচেতন করতে প্রচারে নেমেছেন ব্লকের লোকপ্রসার শিল্পীদের পাশাপাশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি ও কন্যাশ্রী বাহিনী।
এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পেতে মহিলাদের লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিবিরে। এদিন এগরা ১ ব্লকের বরিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের কার্যালয়ের সামনে শিবিরের সুবিধা নিতে উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে আসা পিয়ালি দাস বলেন, আগে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নথিভুক্ত হইনি। এবার তাই নতুন করে আবেদন করতে এসেছি। টাকাটা পেলে অভাবের সংসারে অনেকটাই সুবিধা হবে। বরিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সিদ্ধেশ্বর বেরা বলেন, মানুষের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই মানুষের কাছে সর্বদাই গ্রহণযোগ্য।







