ভারত ইতোমধ্যেই সিরিজ জিতে ফেলেছে, তবে তৃতীয় ওডিআই ম্যাচে চোখ থাকবে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ব্যক্তিগত মাইলফলকের দিকে। রোহিতের দরকার মাত্র ১৩ রান ১১,০০০ ওডিআই রানের ক্লাবে ঢোকার জন্য, আর কোহলির ১৪,০০০ রানে পৌঁছাতে লাগবে ৮৯ রান। কিন্তু আসল আলোচনা গড়াচ্ছে ভারতের বোলিং বৈচিত্র্যের শক্তি ও ইংল্যান্ডের পুনরুজ্জীবনের চেষ্টার দিকে।
সিরিজজুড়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং পরিকল্পনা সফল হয়নি, যার মূল কারণ ভারতের বোলিং আক্রমণের বৈচিত্র্য। হার্দিক পান্ডিয়া ও মোহাম্মদ শামির পাশাপাশি নতুন অস্ত্র হয়ে উঠেছেন হর্ষিত রানা, যিনি টানা তিন ফরম্যাটে নিজের জায়গা পাকা করছেন। তার উইকেট নেওয়ার দক্ষতা ভারতের জন্য বড় সুবিধা বয়ে আনছে। অন্যদিকে, অক্ষর প্যাটেল ও রবীন্দ্র জাদেজার মতো দুই ভিন্ন ঘরানার বাঁহাতি স্পিনার ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের ধাঁধায় ফেলে দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের পেস অ্যাটাকে বৈচিত্র্যের অভাব স্পষ্ট। মার্ক উড ও সাকিব মাহমুদের গতি ও সুইং যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারেনি। আদিল রশিদই একমাত্র স্পিনার, যার অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করছে ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে জস বাটলার, হ্যারি ব্রুক ও জো রুটের মতো খেলোয়াড়রা ভালো শুরুর পরেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই ইংল্যান্ড আজ নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স দিতে চাইবে।
আহমেদাবাদের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। রান তাড়া করাই হতে পারে সঠিক কৌশল। তবে ভারতের সাম্প্রতিক ফর্ম ও বোলিং গভীরতা তাদেরকে এগিয়ে রাখছে। আজকের ম্যাচে কি ইংল্যান্ড নিজেদের হারানো গৌরব ফিরে পাবে, নাকি ভারতের শ্রেষ্ঠত্বই বজায় থাকবে?
ভারত (সম্ভাব্য একাদশ): ১. রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), ২. শুভমান গিল, ৩. বিরাট কোহলি, ৪. শ্রেয়াস আইয়ার, ৫. কেএল রাহুল (উইকেটকিপার), ৬. হার্দিক পান্ডিয়া, ৭. রবীন্দ্র জাদেজা, ৮. অক্ষর প্যাটেল, ৯. কুলদীপ যাদব, ১০. হর্ষিত রানা, ১১. মোহাম্মদ শামি।
ইংল্যান্ড: ১. বেন ডাকেট, ২. ফিল সল্ট (উইকেটকিপার), ৩. টম ব্যান্টন, ৪. জো রুট, ৫. হ্যারি ব্রুক, ৬. জস বাটলার (অধিনায়ক), ৭. লিয়াম লিভিংস্টোন, ৮. ব্রাইডন কার্স, ৯. সাকিব মাহমুদ/জোফ্রা আর্চার, ১০. আদিল রশিদ, ১১. মার্ক উড।







