রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। আর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার দিনেই রাজ্য জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় গুলিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই। কিন্তু সেই ধর্মঘটের কোন প্রভাবই পড়লো না বসিরহাটের সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের ৬টি কলেজে। অন্যদিকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সব রকম পরিষেবা দিতে তৎপর তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এদিন বসিরহাটের সন্দেশখালি, মিনাখাঁ, হাড়োয়া, হিঙ্গলগঞ্জ, স্বরূপনগর ও বাদুড়িয়া সহ বসিরহাটের চারটি উচ্চ মাধ্যমিক কেন্দ্রের বাইরে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে, বসিরহাট শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পরিচালনায় ও বসিরহাট জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহযোগিতায় চালু হয় জলছত্র। সেখানে একদিকে যেমন উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থীদের জলের বোতল, গোলাপ ও পেন প্রদান করা হয়। অন্যদিকে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদের বিশ্রামের জায়গা করে দেওয়া হয়েছে টিএমসিপি-র উদ্যোগে।
এদিনের এই জলছত্র পরিষেবা দিতে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলির বাইরে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিষেক মজুমদার, বসিরহাট পৌরসভার উপ-পৌরপিতা সুবীর সরকার, বসিরহাট পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের মহল্লা প্রধান বিভূরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ও ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুষা মজুমদার সহ ছাত্র পরিষদের একাধিক নেতা ও কর্মী। এদিনের এই জলছত্র কর্মসূচি থেকে ছাত্রনেতা অভিষেক মজুমদার বলেন, “বসিরহাটের কোনো প্রান্তেই ধর্মঘটের সেরকম প্রভাব পড়েনি। যে ছাত্র সংগঠন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন ধর্মকট ডাকে তারা কি ধরনের সংগঠন সেটা বোঝাই যাচ্ছে! যার জবাব বাংলার মানুষ আগেই দিয়েছে।”







