সকালে ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি অফিসে যাওয়ার জন্য ট্রেনে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি-মারামারি শুরু হয়ে যায়। এই ধাক্কাধাক্কি করেও অনেক উঠতে পারেনা। সেই সঙ্গে গন্তব্য স্টেশনে নাম নিয়েও হুলুস্থুল কান্ড পড়ে যায়। এই নিয়ে চিন্তাতে পরে যায় যাত্রিরা।
যাতে ট্রেন থামার পরে যাত্রীদের নামা-ওঠা সম্পূর্ণ হল
কি না, তা দেখার জন্য প্ল্যাটফর্মে চালকের কেবিনের সামনে বিশেষ ধরনের ‘উত্তল’ আয়না বসানোর প্রক্রিয়া পাঁচ বছর আগেই শুরু হয়েছিল। প্রথম বসেছিল পার্কস্ট্রিট স্টেশনে। তারপর একে একে অন্যান্য কয়েকটি স্টেশনেও। আর এবার সেই আয়না বসবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতেও। হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশন থেকে বিপুল যাত্রী ওঠা-নামা করবেন। এবার তাঁদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সব স্টেশনের দুই প্ল্যাটফর্মেই এই আয়না বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য দরপত্র আহ্বানও করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, এই কাজে ১৭ লক্ষের বেশি টাকা খরচ হবে। জানা গিয়েছে, প্ল্যাটফর্ম ঘেঁষে স্ট্যান্ডে বসানো আয়নায় পুরো ট্রেন দেখা যাবে। গার্ডের নির্দেশের উপরে নির্ভর না-করে চালক আয়নায় দেখে নেবেন, যাত্রীদের নামা-ওঠা সম্পূর্ণ হল কি না। দরজায় কিছু আটকে থাকলে সেটাও দেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি। যাত্রীদের ওঠা-নামার পর যখন মেট্রোর সমস্ত কামরার দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন চালকের সামনে মনিটরে সিগন্যাল ভেসে ওঠে। তা দেখে মেট্রো চালাতে শুরু করেন তিনি। আপ ও ডাউন লাইনের দিকে প্ল্যাটফর্মে যদি আয়না থাকে, সেক্ষেত্রে মেট্রোর কেবিন বসেই আয়নাতে গোটা প্ল্যাটফর্মটি দেখতে পাবেন চালক। যেমনটা এখন উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোয় হয়ে থাকে।







