ফের অবৈধ প্রেমের জেরে মৃত্যু উত্তরপ্রদেশের মিরাটে। ঘর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ। আর দেহের পাশেই মিলল এক বিষধর সাপ। রটেছিল সাপের ছোবলেই মৃত্যু হয় যুবকের। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই ঘুরলো মোড়। জানা যায়, সাপের ছোবলে নয়, করে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে।
আর এই সম্পূর্ণ ঘটনায় জড়িত ওই যুবকের স্ত্রী এবং তার প্রেমিক। ইতিমধ্যেই খুনের দায়ে অভিযুক্ত স্ত্রী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করে স্ত্রী।
গত মঙ্গলবার মিরাটের বাড়ি থেকে উদ্ধার অমিত কাশ্যপ নামে এক যুবকের দেহ।
নিজের খাটে ঘুমোচ্ছিলেন অমিত। দেহের পাশে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল একটি সাপকে। ফলে রটানো হয় সাপের কামড়েই মৃত্যু হয়ে তাঁর।
তবে ঘটনায় সন্দেহ হওয়ায়।পুলিশ মৃতদেহটি পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। আর ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই উঠে এল হাড় হিম করা তথ্য। সাপের কামড়ে নয় বরং শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।
এরপরই পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তালিকায় ছিল অমিতের স্ত্রী রবীতা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশি জেরায় ভেঙে পড়ে রবীতা।
পুলিশকে তিনি জানান, প্রেমিক অমরদ্বীপের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করেন তিনি। সন্দেহ অন্যদিকে ঘোরাতে আনা হয়েছিল সাপটিকে। এক ওঝাঁর কাছে থেকে ১ হাজার টাকা দিয়ে কিনে আনা হয়েছিল সাপটিকে। অমিতকে খুন করে দেহের পাশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল সাপটিকে। ইতিমধ্যেই রবীতা ও তার প্রেমিক অমরদ্বীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ।







