সোশ্যাল মিডিয়ার আলাপ হওয়া সম্পর্কের ভয়াবহ দিক দেখা গেল মধ্যপ্রদেশে। জব্বলপুর অঞ্চলে, এক ১৪ বছর বয়সী নাবালিকাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া এক যুবক, মান্ডালা জেলার এক এলাকায় আটক করে তিন দিন ধরে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
ঘটনায় অভিযুক্ত মূল যুবক এবং তার এক বন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানান, জব্বলপুরের গারহা থানা অঞ্চলের বাসিন্দা, সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতে রাজন নামের এক যুবকের আলাপ হয়েছিল। ১৪ বছর বয়সী ওই নাবালিকার সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্ত যুবক। কিন্তু যখন ওই নাবালিকার পরিবারে সম্পর্কের কথা জানা জানি হয়, তখন মেয়েটির কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। সূত্রের খবর, গত ফেব্রুয়ারি মাসে অভিযুক্ত যুবক রাজন জব্বলপুরে গিয়ে মেয়েটিকে নতুন মোবাইল ফোন দেয়।
পুলিশ জানান, গত মাসের ১৭ তারিখে ওই নাবালিকার মা শহরের বাইরে যান। সেই সুযোগে রাজন মেয়েটিকে মান্ডালা আসার কথা বলে। তার কথায় গত ২১ তারিখে একাই বাসে করে মান্ডলা যায় ওই নাবালিকা।
অন্যদিকে, মেয়েটির মা বাড়ি ফিরে এসে মেয়েকে দেখতে না পাওয়ায়, তিনি অভিযুক্ত যুবক রাজনকে সন্দেহ করেন এবং রাজনকে ফোন করে তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়েরের হুমকি দেন। এই হুমকির পরেই গত ২৪ তারিখে মেয়েটি মান্ডালা থেকে বাড়ি ফিরে আসে।
বাড়ি ফিরে এসে মেয়েটি তার পরিবারের কাছে সব জানায়। তার অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক রাজন এবং তার এক বন্ধু মান্ডালাতে তাকে আটকে রাখে এবং সেখানে তারা তিন দিন ধরে নাবালিকাকে উপর পাশবিক অত্যাচারের পাশাপাশি ধর্ষণ করে। মেয়েটির অভিযোগ, রাজন ধর্ষণের ভিডিও করে এবং এই কথা প্রকাশ্যে এলে সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করে দেবার হুমকিও দেয়।
সব কিছু জেনে নাবালিকার পরিবার থানায় গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। জব্বলপুরের গারহা থানার আধিকারিক প্রসন্ন শর্মা বৃহস্পতিবার জানান, মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইন সহ ধর্ষণ এবং হুমকির নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়। অভিযুক্ত মূল যুবক রাজন ও তার বন্ধুকে গ্রেপ্তার করার জন্য ইতিমধ্যেই পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।







