সম্প্রতি পাকিস্তানের একাধিক অঞ্চলে ভারতীয় ড্রোনের প্রত্যাঘাত নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। ভারতের চালানো এই ড্রোন হামলাগুলোকে প্রতিহত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু এই প্রসঙ্গে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা বহু বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার পাকিস্তান সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাজা আসিফ বলেন, “আমরা ইচ্ছা করেই ভারতীয় ড্রোন আটকাইনি বা ধ্বংস করিনি, কারণ এতে আমাদের প্রতিরক্ষা অবস্থান ভারতের কাছে ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।” তার এই মন্তব্য অনেককে বিস্মিত করেছে। একাধিক সামরিক বিশেষজ্ঞের মতে, এই ব্যাখ্যা পাকিস্তানের সামরিক অক্ষমতা ঢাকতে একটি রাজনৈতিক কৌশল মাত্র।
এর আগেও খাজা আসিফ ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য শিরোনামে ছিলেন। কয়েকদিন আগে তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপতিত করেছে। পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম তাঁকে প্রমাণ চাওয়ায় তিনি বলেন, ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেটাই তাঁর প্রমাণ। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরাটা হাস্যকর বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এইসব ঘটনা পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা নীতির জবাবদিহিতার অভাব এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের অদূরদর্শিতা স্পষ্ট করে দিচ্ছে। একদিকে ভারতের সুনির্দিষ্ট অভিযানে পাকিস্তানের ঘুম উড়ে গেছে, অন্যদিকে খাজা আসিফের মত নেতার বক্তব্য দেশের ভাবমূর্তি আরও ক্ষুণ্ন করছে।







