বহুদিনের জল্পনার অবসান। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল শিবিরে নাম লেখানোর পরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জলঘোলা। বিশেষ করে বার্লার বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরেই বেধেছে বড় বিতর্ক। সরাসরি বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বার্লা বলেন, “মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলাম। ১৬০ কোটি টাকার হাসপাতাল প্রকল্প রেডি ছিল। রেলের জমিও ঠিক হয়েছিল। কিন্তু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সেই কাজ আটকে দেন।”
এই মন্তব্যে প্রবল ক্ষুব্ধ শুভেন্দু। পাল্টা আইনি পথে হেঁটেছেন তিনি। তাঁর আইনজীবীর তরফে জন বার্লাকে পাঠানো হয়েছে কড়া আইনি নোটিস। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বার্লার মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। অবিলম্বে বিনা শর্তে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে শুভেন্দুর কাছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে কোনও সরকারি বা রাজনৈতিক মঞ্চে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কোনও মানহানিকর মন্তব্য না করতেও সতর্ক করা হয়েছে বার্লাকে।
এক সময়ের সতীর্থ, এখন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী— জন বার্লার এই দলবদল নিঃসন্দেহে ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। দুই ‘ফুল’ শিবিরেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ— জনের তৃণমূল যোগ রাজনীতির সমীকরণ কতটা পাল্টাবে?







