আইপিএলের চলতি মরশুমে লিগ পর্যায়ে যখন শেষ সীমানার দিকে এগোচ্ছে; তখন আজ সোমবার লখনউ সুপার জায়ান্টস (এলএসজি) ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (এসআরএইচ)-এর সামনে ছবিটা স্পষ্ট—দুই দলই কঠিন অবস্থায়, কিন্তু লক্ষ্য ভিন্ন। এলএসজি এখনও প্লে-অফের শেষ আশায় ঝুলে, অন্যদিকে এসআরএইচ লড়ছে তলানিতে না নামার জন্য। এই পরিস্থিতিতে রোববারের ম্যাচটা হতে চলেছে মর্যাদার লড়াইয়ের থেকেও বড়—এটা মরিয়া বাঁচার লড়াই।
এলএসজি-র বড় সমস্যা মধ্যক্রমের ভাঙন। অধারাবাহিক ঋষভ পান্থ ব্যর্থ, ডেভিড মিলারও ফিনিশার হিসেবে নিজের ছায়া। এই অবস্থায় আবদুল সামাদ ও আয়ুষ বাদোনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। উপরন্তু বোলিং বিভাগও আশাজনক নয়। পাওয়ারপ্লেতে তাদের ইকোনমি রেট (১০.৫) লিগের মধ্যে সর্বনিম্ন। চোটে জর্জরিত মায়াঙ্ক যাদব, নিষ্প্রভ শার্দূল ঠাকুর, আর ফেরত আসা আকাশ দীপও ছন্দে নেই।
অন্যদিকে এসআরএইচ-এর ভরসা ছিল ব্যাটিং অর্ডারে, বিশেষ করে হেড-অভিষেক জুটিতে। কিন্তু এবার তেমন ঝড় নেই। ক্লাসেন, কামিন্সরাও কার্যকর নয়। স্পিন বিভাগ তো আরও ভয়ানক—মাত্র দশটি উইকেট এসেছে পুরো টুর্নামেন্টে, আর ইকোনমি ৯.৯!
উত্তরপ্রদেশের তীব্র দাবদাহের মাঝে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে স্পিনারদের ভূমিকাই হতে পারে পার্থক্য গড়ে দেওয়া ফ্যাক্টর। পিচ প্রস্তুতির জন্য সময় থাকায় এবারের লড়াইয়ে ব্যাট-বল দুই বিভাগেই ছোট ছোট মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে টার্নিং পয়েন্ট।







