রানাঘাটের ছোট্ট অস্মিকা দাস বিরল এক জেনেটিক রোগে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন একটি অত্যন্ত মূল্যবান ইনজেকশন, যার দাম প্রায় ১৬ কোটি টাকা। প্রথম কিস্তিতে ৯ কোটি টাকা জমা দিতে পারলেই মিলবে এই জীবনদায়ী ওষুধটি। অস্মিকার বাবা শুভঙ্কর দাস দীর্ঘদিন ধরে এই টাকা জোগাড়ের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছেন।
অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মাতৃ সেনা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট অস্মিকার পরিবারের হাতে তুলে দিল ৬০ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক। এর ফলে ইনজেকশনের প্রথম কিস্তির ৯ কোটি টাকা পূর্ণ হল। এই অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাতৃ সেনার সভানেত্রী সোমা ঠাকুর ও অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।
অস্মিকার বাবা জানান, “আজকের এই অনুদান আমাদের কাছে এক আশীর্বাদ। এখন ইনজেকশন পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ চলছে। আশা করছি আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই অস্মিকা ওষুধটি পেয়ে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “যারা যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ছোট্ট মেয়ের জীবনের জন্য লড়াইয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে অন্তরের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”
এই ঘটনায় অসংখ্য মানুষের প্রচেষ্টার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হল। সমাজের সব স্তরের মানুষের এই সহমর্মিতা ও সহানুভূতিই ছোট্ট অস্মিকার জীবনে নিয়ে এল এক নতুন আশার আলো।






