বাঁকুড়া শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২ মহিলা-সহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতারের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। পুলিশের দাবি, ধৃতেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার ও আধার কার্ডের ফটোকপি সংগ্রহ করছিলেন। এই অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ধৃতদের পরিবার এবং বিজেপির দাবি, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক। তাঁরা ‘ডিপলেন্স রিসার্চ’ নামক দিল্লির একটি সংস্থার হয়ে জনমত সমীক্ষার কাজ করছিলেন বলে জানিয়েছেন।
ধৃতদের মধ্যে প্রবীর ঘোষকে ফের ২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত, আর বাকি চারজনকে ১০ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় ধৃতদের চোখে-মুখে ক্ষোভ স্পষ্ট। প্রবীর ঘোষের স্ত্রী টুম্পা ঘোষ কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার স্বামী নির্দোষ। ওকে ছাড়া না হলে আমি আত্মহত্যা করব।”
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতা সৌগত পাত্র অভিযোগ করেছেন, রাজ্য সরকার শিক্ষিত বেকারদের চাকরি দিতে না পেরে এখন বেসরকারি সংস্থায় কাজ করলে তাও বন্ধ করতে চাইছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপির নির্দেশেই কিছু ব্যক্তি এনজিও বা সংস্থার ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। অনুমতি ছাড়াই ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই কাজ করতে গিয়েই ধরা পড়েছে ওই ৫ জন।
এই ঘটনায় প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি রাজনৈতিক উত্তাপও উত্তরোত্তর বাড়ছে বাঁকুড়া জেলাজুড়ে।







