বর্ষা আসার আগেই ফের ভাঙতে শুরু করেছে কুয়ে নদীর পাড়। ফলে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর ১ ব্লকের ইব্রাহিমপুর গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ৫০টিরও বেশি পরিবারে। বছর বছর এই নদী ভাঙনের ফলে গ্রাম উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে। দুই দশক আগেও যে গ্রাম ছিল প্রায় ৫০০ মিটার দক্ষিণে, বর্তমানে সেই এলাকাতেই বইছে নদী।
গ্রামের প্রায় ৩০০টি পরিবারের বসবাস, রয়েছে স্কুল, অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র, তিনটি মসজিদ। তবে অনেকেই ইতিমধ্যেই নদী গর্ভে ঘর হারিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ আবার মাঠের পাশে নতুন করে ঘর তুলেছেন। দুঃস্থ পরিবারগুলির পক্ষে নতুন করে ঘর তোলা কঠিন। প্রতিবন্ধী জালাল শেখ বলেন, “নদীর গ্রাসে এবার আমার বাংলো আবাস যোজনার ঘরও চলে যেতে পারে। ঘুমোতে পারিনা ভেবে, কখন যে নদীতে পড়ে যাই।”
গ্রামের চানাই শেখ, নুরজাহান বিবিরা বলছেন, একমাত্র স্থায়ী বোল্ডার বাঁধই তাদের ঘরবাড়ি রক্ষা করতে পারে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কাফারুল শেখ জানান, গত বছর বালির বস্তা দিয়ে সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এখন সেই বস্তাগুলি খুলে নদীতে পড়ে গিয়েছে, ফলে ফের ভাঙন শুরু। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তবে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গ্রামবাসীদের বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, সেচ দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, খুব দ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।







