ভোটের সময়ও দাদার কাছে আশীর্বাদ চেয়েছি আবারও দাদাদের সাথে কথা বলবো যাতে মতুয়া মেলা একসাথে করা যায় কারণ আমরা একই রক্ত এমনটাই বললেন বাগদার বিধায়ক মধুপর্না ঠাকুর। আজ বারাসাত অতিরিক্ত জেলাশাসক ডেভেলপমেন্টের অফিসে দুপক্ষকে ডেকে শুনানি হয়। একদিকে মমতা বালা ঠাকুরের প্রতিনিধি হিসাবে মধুপর্ণা ঠাকুর ও কয়েকজন আইনজীবী এসেছিলেন । তাদের দাবি সমস্ত রকমের কাগজপত্র তাদের কাছে আছে মমতা বালা ঠাকুরের নামে তারা এবারেও মেলার পারমিশন চায়। কিন্তু শান্তনু ঠাকুরের যে প্রতিনিধিরা আছেন তাদেরকেও এই মেলায় অংশীদারি হিসেবে নিয়ে মেলা করতে চায় এমনটাই তাদের দাবি।
অন্যদিকে শান্তনু ঠাকুরের মতুয়া মহাসংঘের সম্পাদক সুখেন্দু গাইন চারজন আইনজীবী নিয়ে এই শুনানিতে অংশ নেন। তাদের দাবি পুরনো আইন অনুযায়ী মমতা বালা ঠাকুর যে পারমিশন পাচ্ছেন সেটা নতুন আইন অনুযায়ী আর পাওয়া উচিত নয়। তাদের কাছে সমস্ত কাগজপত্র আছে তাই মেলার পারমিশন শান্তনু ঠাকুরেরই পাওয়া উচিত। যদিও তারা মনে করেন দুপক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে সেই কমিটির মাধ্যমে মেলা পরিচালনা হবে।







