রাজ্য পুলিশ প্রশাসনে ফের রদবদলের ছোঁয়া। একাধিক আইপিএস অফিসারকে এক পদ থেকে অন্য পদে সরানো হয়েছে, কাউকে দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত দায়িত্ব, তো কাউকে পাঠানো হয়েছে নতুন বিভাগে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এটি একটি রুটিন রদবদল হলেও, এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কৌশলগত দিক।
সাবেক কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে এবার বড় দায়িত্ব দিল প্রশাসন। এসটিএফের এডিজি-আইজি ছাড়াও তাঁকে দেওয়া হল প্রশাসনিক শাখার এডিজি-আইজি-র দায়িত্ব। যা ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের পর তাঁকে কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছিল। তবে এবার ফের বাড়তি দায়িত্বে তাঁর প্রত্যাবর্তন তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকেই।
অন্যদিকে, দুঁদে অফিসার অজয় রানাডেকে পাঠানো হয়েছে হোমগার্ড বিভাগে। পুলিশ মহলে এই বদলিকে ঘিরে নানা গুঞ্জন চলছে।
এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বদলি ও দায়িত্ব বণ্টনের মধ্যে রয়েছে – শ্যাম সিং-কে ডিজি ও আইজি সাইবার সেলে আনা হয়েছে। দময়ন্তী সেন এখন এডিজি-আইজি এপি। হরি কিশোর কুসুমাকার সাইবার সেল থেকে কোস্টাল সিকিউরিটিতে। আনন্দ কুমার পেলেন লিগ্যাল সেলের পাশাপাশি পলিসি বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব।
শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তী সিআইডি-২ এর দায়িত্বে রয়েই গেলেন, তার সঙ্গে যুক্ত হল সাইবার সেলের দায়িত্বও।
এই রদবদলে প্রশাসনিক ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা যেমন রয়েছে, তেমনই ভবিষ্যতের কৌশলগত অবস্থান তৈরির ইঙ্গিতও স্পষ্ট।







