২০২০ সালের অক্টোবর মাসে তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য গ্লোবাল দরপত্র ডেকেছিল রাজ্য সরকার। সেখানেই টেন্ডার-প্রক্রিয়ায় তাজপুর বন্দর তৈরি করার জন্য আদানিদের বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে এবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তাদের থেকে এই বরাত সরিয়ে নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিড সাবমিশন হয়। তারপর সেই বছরে পুজোর সময় আদানি গোষ্ঠীর হাতে তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দরের জন্য ‘লেটার অফ ইন্টটেন্ট’ তুলে দেওয়া হয়। এরপরেও তাজপুর গভীর সমুদ্রবন্দরের কাজ শুরু করা হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন না মেলায় এই টেন্ডার বাতিল হয়েছে। এমনকি গ্রিনফিল্ড প্রযুক্তিতে ওই বন্দর তৈরির ক্ষেত্রে১৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে পরিকাঠামো নির্মাণে বিনিয়োগ হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
এছাড়াও ২৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সঙ্গেই এক লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন না উঠলেও ২০২৩ সালে হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরে আদানি গোষ্ঠীকে নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। আদানিদের বিরুদ্ধে শেয়ার দর বাড়িয়ে প্রতারণার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বন্দর নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এবার সেই জল্পনায় সিলমোহর পরল। পাশাপাশি আদানি গোষ্ঠীর কাজের বেশিরভাগটাই যন্ত্রনির্ভর। সেই কারণে ‘ম্যান পাওয়ার’ ব্যবহার কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সব মিলিয়ে এই তাজপুরের বন্দরের টেন্ডার হাতছাড়া হলো আদানির। সেই বিষয়ে এরই মধ্যে এই সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।







