প্রায় ১৫ দিনের বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া সফরে ভারতের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদকে বিশ্বদরবারে একাধিকবার কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এই তরুণ বাঙালি সাংসদ।
মালয়েশিয়ায় People’s Justice Party (PKR) ও মালয়েশিয়ান ইন্ডিয়ান কংগ্রেস (MIC)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র রক্ষা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির বার্তা স্পষ্টভাবে দেন তিনি। কুয়ালালামপুরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক সাফ জানান, “ভারত-পাক সংলাপ যদি ভবিষ্যতে হয়, সেটা কেবল পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই হওয়া উচিত।”
এই সফরকে ‘কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করে কলকাতায় ফিরে তিনি জানান, রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে কখনও আপস করবে না তৃণমূল কংগ্রেস। বিদেশমন্ত্রকের বৈঠকে ব্যক্তিগত কর্মসূচির কারণে উপস্থিত না থাকতে পারলেও, লিখিতভাবে নিজের মত জানাবেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথমে ইউসুফ পাঠানকে প্রতিনিধি হিসাবে নির্বাচন করলেও, পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে অভিষেকের নাম চূড়ান্ত হয়। নেতৃত্ব দেন জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝা।
এই সফর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুধু এক জন রাজনৈতিক প্রতিনিধি নয়, বরং এক জন বলিষ্ঠ কূটনৈতিক কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করল আন্তর্জাতিক মঞ্চে।







