ডুমা বাওড় এলাকার সমবায় নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। ৯টি আসন বিশিষ্ট এই সমবায়ে বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা ৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, ৬টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূল প্রার্থীরা ৯টিতেই লড়লেও সন্তোষজনক ফল আনতে ব্যর্থ।
এই ফলাফলের পর গাইঘাটা ব্লক ২-এর তৃণমূল সভাপতি শ্যামল কুমার বিশ্বাস অভিযোগ করেন, বাম এবং বিজেপির একাংশের অলিখিত সমঝোতার ফলেই এই বিপর্যয়। তিনি জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার মৎস্যজীবীদের জন্য একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প করেছে, তা সত্ত্বেও মানুষ কেন তৃণমূলকে ভোট দিল না, তা খতিয়ে দেখা হবে।”
অন্যদিকে, বিজয়ের স্বাদে উচ্ছ্বসিত বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার বলেন, “মানুষ এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। গত আট বছরে তৃণমূল এই এলাকায় কোনও উন্নয়ন করেনি। সাধারণ মানুষ এখন জবাব দিতে শিখেছে।”
উল্লেখ্য, এর আগে গাইঘাটার শশাডাঙা ও বর্ণবেড়িয়া এলাকায় সমবায় ভোটে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। এবার ডুমা সমবায়ে জয়ের মাধ্যমে গেরুয়া শিবির আরও একধাপ এগোল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এই ফলাফল গাইঘাটা অঞ্চলে আগামী পঞ্চায়েত ও বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই অনুমান। তৃণমূলের জন্য এটি শুধুমাত্র একটি সমবায় নির্বাচন নয়, বরং মানুষের মনোভাবের স্পষ্ট প্রতিফলন।







