শর্মিষ্ঠা গ্রেপ্তারি মামলায় পুলিশকে কটাক্ষ করলো কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী বলেন যেভাবে শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করেই করা হয়েছে।
শর্মিষ্ঠাকে আপাতত কিছু সময়ের জন্য জামিন দেওয়া হয়েছে, তবে আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।
গ্রীষ্মকালীন বেঞ্চের পরিবর্তে নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর অনুরোধ বাতিল করে FIR দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযুক্তকে নোটিস দেওয়ার সময় বাড়িতে না পাওয়া যাওয়ার জন্য পুলিশ এফআইআর অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে।
আদালতের এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উল্লেখ করা হয়। বিচারপতি বলেন, “এই মুহূর্তে ডায়েরির বিষয়বস্তু শর্মিষ্ঠার জানার দরকার নেই। কিন্তু গ্রেফতারের কারণ জানাটা তাঁর দরকার এবং এই আদালতে রাজ্যকে তার প্রমাণ দিতে হবে।”
শর্মিষ্ঠার আইনজীবী ডিপি সিং-এর দাবি শর্মিষ্ঠার গ্রেফতারি বিষয়টি সম্পূর্ণ বেআইনি। একদিন পরেই এই ভিডিওটি মুছে দেওয়া হয়। ভিডিওর মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের সাথে সম্পকিত এমন বিতর্কমূলক কিছু শব্দ প্রয়োগ করা হয়েছে। অথচ তার জেরে অভিযুক্তকে লাগাতার হুমকি শুনতে হয়েছে ও ক্রমাগত হচ্ছে। তার ব্যক্তিগত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।
বিচারপতি এও মন্তব্য করেছেন, শর্মিষ্ঠার অভিযোগের ভিত্তিতে কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে? কারণ বিষয়টি এক তরুণীর শালীনতার মর্যাদর উপর। এসবের জন্য আপনাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। আমি এটা প্রকাশ্যে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আর যাই হোক, তিনি একজন আইনের ছাত্রী।
তবে, মঙ্গলবার হাইকোর্টে শর্মিষ্ঠার অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন খারিজ হয়।






