ধূপগুড়ি রেলস্টেশন সম্প্রতি এমন এক ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে যা সরাসরি স্পর্শ করেছে মানব আবেগ ও সম্পর্কের জটিলতা। যেখানে দুই স্ত্রী, এক স্বামী আর একজন প্রেমিক—সবাই এক ছত্রছায়ায় এসেছে, তৈরি করেছে এক নাটকীয়তা যা জীবন থেকে কম নয়।
বানারহাটের হলদিবাড়ির মানু আলম বহু বছর আগে প্রথম বিয়ে করেন। কিন্তু পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকেই তার সংসারে শুরু হয় অনিশ্চয়তা ও দ্বন্দ্ব। দুই স্ত্রী আলাদা থাকলেও দ্বিতীয় স্ত্রীর অবহেলা এবং প্রেমিকের সঙ্গে তার গোপন সম্পর্ক ধীরে ধীরে বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
মঙ্গলবার রাতে, ধূপগুড়ি স্টেশনে যখন দ্বিতীয় স্ত্রী প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর পরিকল্পনা করছিলেন, তখন স্বামী মানু আলম হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাদের। এরপর যা ঘটে, তা যেন সিনেমার চেয়েও বেশি নাটকীয়। জনতা ভিড় জমায়, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও হাতাহাতির মধ্যে পড়ে যায় ঘটনাস্থল। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং তিনজনকেই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনা শুধু পারিবারিক দ্বন্দ্ব নয়, বরং সমাজে বিবাহের সংবেদনশীলতা, দায়িত্ববোধ এবং বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিচ্ছবি। “সখি তুমি কার?”— এই প্রশ্ন এখনো সবাইকে ভাবাচ্ছে। সম্পর্ক মানেই যত্ন, বিশ্বাস ও সম্মানের বন্ধন। একপেশে ভালোবাসার আগুন যেন কখনোই ধ্বংসের আগুনে পরিণত না হয়।







