ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের চিল্কিগড়ে ডুলুং নদীর উপর থাকা কজওয়ে ফের ডুবে গেল প্রবল জলে। নিম্নচাপজনিত ভারী বর্ষণের ফলে নদীতে জলস্তর বেড়ে যায়, আর তারই জেরে এই কজওয়ের উপর দিয়ে বইছে প্রবল স্রোত। ফলে এক ধাক্কায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জামবনি ব্লকের প্রায় ২০টি গ্রামের যোগাযোগ জেলা সদর ঝাড়গ্রামের সঙ্গে।
চিল্কিগড়, গিধনী সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে। স্কুল-কলেজ, বাজার কিংবা হাসপাতালে যেতে কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শুধুমাত্র বর্ষা নয়, প্রতি বছর বৃষ্টির সময় এই দৃশ্য নতুন নয়। ডুলুং নদীর উপর থাকা এই কজওয়ে জলে তলিয়ে যায়, এবং দিনের পর দিন মানুষকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হয়।
বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় মানুষ সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে এসেছেন। স্বাধীনতার ৭৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও এই নদীর উপর একটি স্থায়ী সেতু গড়ে ওঠেনি। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ জমেছে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, “প্রতিবছর এমন দুর্ভোগ সহ্য করতে হচ্ছে আমাদের। হাসপাতালের রোগী হোক বা ছাত্রছাত্রী—সবাই দুর্বিষহ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।” এখন প্রশ্ন একটাই—আর কত বছর অপেক্ষা?
ডুলুং নদীর বুকে একটি পাকা সেতু এখন শুধুই দাবি নয়, রীতিমতো জীবনের প্রয়োজনে পরিণত হয়েছে। বর্ষা এলেই ভোগান্তির চিত্র যেন নতুন করে আঁকা হয় চিল্কিগড়বাসীর জীবনে। এখন দেখার, সরকারের দৃষ্টি কবে পড়ে এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার ওপর।







