বেহালার পর্ণশ্রী থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ। দুই স্বর্ণব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ১১ লক্ষ টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন চন্দন ঘোষ নামক এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী শম্পা ঘোষ। তাঁর দাবি, সোনা বন্ধক রেখে বিপুল অঙ্কের টাকা ধার নিয়ে প্রতারনা চালিয়েছে একাধিক ব্যক্তি, যাঁরা নিজেদের পরিচয় দিয়েছিলেন ‘বিশ্বস্ত স্বর্ণব্যবসায়ী’ রূপে।
শম্পার অভিযোগ, ২০২২ সালে দীপক, মহেন্দ্র সহ কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের সোনার মঙ্গলসূত্র ও লকেট বন্ধক রেখে ১১ লক্ষ টাকা ধার নেন। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও টাকা তো ফেরত মেলেনি, বরং বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও ওই ‘ব্যবসায়ীরা’ আসেননি সোনা ছাড়াতে। সন্দেহ হওয়ায় ঘোষ দম্পতি গয়না পরীক্ষা করান। তখনই ফাঁস হয় চাঞ্চল্যকর তথ্য—সোনা আসলে নকল!
অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নেমেছে পর্ণশ্রী থানার পুলিশ। তবে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মাথায়—প্রথমে কেন গয়নার গুণমান যাচাই করা হয়নি? ২০২২ সালের ঘটনা এখন কেন থানায়? অভিযুক্তদের সঙ্গে এই দীর্ঘ সময়ে কি কোনও যোগাযোগ হয়েছিল?
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি, তবে পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। সোনার আড়ালে আর কত বড় চক্রান্ত লুকিয়ে আছে, তা জানতে এখন তাকিয়ে সকলেই তদন্তের দিকে।
বিশ্বস্ততা ও গয়নার আড়ালে প্রতারণার এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন ও নিরাপত্তা নিয়ে। সতর্ক না হলে আপনিও হতে পারেন পরবর্তী শিকার।







