গত ১২ জুন গুজরাতের আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার এক মাস পর প্রকাশ্যে এল তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট।
এআই১৭১ বিমানের ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে জানা গেল, রানওয়ে ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় দু’টি ইঞ্জিনই!
দুই পাইলটের মধ্যে শেষ মুহূর্তে হয় জ্বালানি সংক্রান্ত উত্তপ্ত কথোপকথন —
“কেন তুমি বন্ধ (জ্বালানি) করে দিলে?”
উত্তর আসে, “আমি কিছুই বন্ধ করিনি।”
২৬০ জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুর এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পাখির ধাক্কা বা যান্ত্রিক ত্রুটির কোনও প্রমাণ মেলেনি।
তদন্তকারীদের মতে, জ্বালানির সুইচ ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’-এ চলে গিয়েছিল।
পাইলটরা মরিয়া চেষ্টা করেও ইঞ্জিন-১ চালু করতে ব্যর্থ হন, যা শেষ মুহূর্তের বিপর্যয়ের মূল কারণ বলেই অনুমান।
১৫ পাতার তদন্ত রিপোর্টে ধরা পড়েছে একের পর এক গাফিলতির ইঙ্গিত।
পিছনের দিকের ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তথ্য উদ্ধার করা যায়নি।
বোয়িং বা ইঞ্জিন অপারেটরদের এখনও কোনও নোটিস জারি হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।







