লন্ডনের সবুজ ঘাসে রবিবার টেনিসের এক নতুন অধ্যায় রচিত হল। ফরাসি ওপেনে হারের যন্ত্রণাকে অনুপ্রেরণায় বদলে, আগ্রাসন, পরিকল্পনা ও ধৈর্যের অনন্য মিশেলে উইম্বলডনের মুকুট মাথায় তুললেন ইতালির ইয়ানিক সিনার। আর তাতেই থেমে গেল কার্লোস আলকারাজ়ের উইম্বলডনে টানা ২৪ ম্যাচ জয়ের দৌড়।
ম্যাচ শুরু হয়েছিল আলকারাজ়ের নিয়ন্ত্রণে। দুরন্ত সার্ভিস ও রিটার্নে প্রথম সেট ৬-৪-এ নিজের দখলে নেন স্প্যানিশ তারকা। তবে সেই সঙ্গে দেখা যাচ্ছিল সিনারের কৌশলগত পরিবর্তন—বেসলাইন থেকে নির্ভুল শট, অপ্রতিরোধ্য গ্রাউন্ডস্ট্রোক আর সার্ভিসের ভারসাম্য। দ্বিতীয় সেট থেকে খেলায় ফিরে আসেন তিনি। পরের তিনটি সেট ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪ জিতে প্রথম বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠেন বিশ্বের এক নম্বর।
সেমিফাইনালে জোকোভিচকে হারিয়েই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলেন সিনার। ফাইনালে সেই আত্মবিশ্বাসই রূপ নেয় ছন্দময় কৌশলে। চতুর্থ সেটে একবারের সার্ভিস ব্রেকই নির্ধারণ করে দেয় ফলাফল। বিপক্ষে থাকা সত্ত্বেও ম্যাচে একবারও নিয়ন্ত্রণ হারাননি সিনার। আগেই জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ান ও ইউএস ওপেন—এ বার উইম্বলডন। ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যামের থেকে এখন এক ধাপ দূরে।
ম্যাচশেষে আলকারাজ় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। দুই তরুণের মধ্যে টেনিসের ভবিষ্যতের পরিচয় ফুটে উঠল উইম্বলডনের এই ফাইনালে। রাফা-ফেডেরার যুগের পর নতুন দ্বৈরথের সূচনা করে গেলেন সিনার ও আলকারাজ়।







