বঙ্গ ক্রিকেটে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। সম্প্রতি সিএবি সদস্য অম্বরীশ মিত্রের বিরুদ্ধে উঠতি ক্রিকেটারদের কাছ থেকে টাকা তোলার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় কলকাতা ময়দান। বিষয়টি ঘিরে আলোড়ন ছড়াল আরও বেশি, যখন অভিযোগের জবাব স্বয়ং মহম্মদ আজহারউদ্দিনের কলমে জমা পড়ল সিএবি-তে। চমকপ্রদভাবে, তিনি টাকা তোলার বিষয়টি স্বীকার করলেও, সেটিকে ‘দুর্নীতি’ নয়, ‘ক্রিকেটারদের সুযোগ সৃষ্টির প্রয়াস’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
আজহারউদ্দিন জানিয়েছেন, ক্রিকেটারদের জার্সি, খাবার ও অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাতেই তারা এই অর্থ সংগ্রহ করেছেন। সেই টাকা অনলাইনে অম্বরীশ মিত্রের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে উল্লেখ থাকা সাতটি লেনদেনের তালিকাও পেশ করা হয়েছে। আজহারের দাবি, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় তিনি হতবাক, কারণ ‘ময়দানের অনেক ক্লাব এ ভাবেই চলে।’
সিএবি-র আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভার আগে ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই অভিযোগ আনা হয়েছে বলে আজহারের মত। তিনি লিখেছেন, “অম্বরীশের সততা নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই।” একইসঙ্গে অনুরোধ করেছেন, সমস্ত অভিযোগ খারিজ করার জন্য।
তবে প্রশ্ন উঠছে—ব্যক্তিগত উদ্যোগে টাকা তোলার এই প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ? ক্রিকেটারদের উন্নতির আড়ালে অর্থনৈতিক অনিয়ম চাপা পড়ছে না তো? সিএবি-র তরফে এখনও চূড়ান্ত মন্তব্য না এলেও, এজিএমের আগে এই বিতর্ক যে আরও তীব্র হবে, তা বলাই যায়। বঙ্গ ক্রিকেটে এখন সব নজর তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।







